Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

১৯৬১ সনের ১৬ অক্টোবর তারিখে ৩৭নং অধ্যাদেশ বলে ইস্ট পাকিস্থানএগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন (ইপিএডিসি) প্রতিষ্ঠা লাভ করে, যাবর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) নামে পরিচিত।

            কৃষি মন্ত্রনালয়ের অধীনন্থ সংস্থা হিসাবে বিএডিসি কৃষি উপকরণ ওপ্রযুক্তিসমূহ কৃষকদের মাঝে সরবরাহকরনে এবং দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেতোলা ও জনগণের খাদ্য নিরাপত্ত অর্জনে অব্যাহত ভূমিকা পালনে সহায়তা করতেঅঙ্গীকারবদ্ধ। এ অঙ্গীকার বাসত্মাবায়নে বিএডিসি’র প্রশাসন উইং, অর্থ উইং, বীজ ও উদ্যান উইং, ক্ষুদ্র সেচ উইং এবং সার ব্যবস্থাপনা উইং একযোগে কাজ করেযাচ্ছে।

ক্রঃ নং

কাজ/সেবার নাম

উত্থাপন/নিষ্পত্তির সময়কাল

মন্তব্য

১।

বীজনীতি সংক্রান্ত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও        বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে দ্রুততার সাথে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন কাজ সম্পাদন।

বীজনীতি সরকার কর্তৃক প্রণয়ন করা হয়।

২।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান হতে সংগৃহীতBreeder Seedদ্বারাFoundation Seedউৎপাদন যা পরবর্তীতে প্রত্যাশিত / মান ঘোষিত বীজ উৎপাদনপূর্বক কৃষকদের মাঝে বিতরণ।

বীজ উৎপাদন ও বিতরণ মৌসুমে কৃষকের আবেদন/ চাহিদার প্রেক্ষিতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পাদন।

 

৩।

উন্নত বীজ উৎপাদনে চুক্তিবদ্ধ চাষী ও বেসরকারী পর্যায়ে বীজ উৎপাদনেরজন্য কৃষক পর্যায়ে কারিগরি পরামর্শ ও সহায়তা দানের মাধ্যমে প্রত্যায়িত/মানঘোষিত বীজ উৎপাদন।

কৃষক পর্যায়ে কারিগরি পরামর্শ ও সহায়তা সেবা সারা বছর ব্যাপী প্রদান করা হয়।

 

৪।

উৎপাদিত বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ পূর্বক কৃষকদের নিকট বিতরণ।

বীজ বিতরণ মৌসুমে ফসল ভিত্তিক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পাদন।

 

৫।

বেসরকারি খাতে প্রত্যায়িত বীজ অব্যাহত উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের উৎসাহ ও কারিগরি পরামর্শ সেবাসহপ্রশিক্ষণ প্রদান।

বেসরকারী পর্যায়ে কারিগরি পরামর্শ ও সহায়তা সেবা ‘‘আগে আসলে আগে পাবেন’’ ভিত্তিতে উৎপাদন ও বিতরণ মৌসুমে প্রদান।

বেসরকারী পর্যায়ে চাহিদা অনুসারে বাস্তবায়ন করা হয়।

৬।

উন্নত বীজ উৎপাদন, সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ, বিপণন ও সীমিতআকারে বীজ শিল্প উন্নয়নে বেসরকারী প্রতিষ্ঠান/ ব্যক্তিকে সেবা প্রদান।

বেসরকারী প্রতিষ্ঠান/ ব্যক্তি পর্যায়ে কারিগরি পরামর্শ ও সহায়তা সেবা‘‘আগে আসলে আগে পাবেন’’ ভিত্তিতে উৎপাদন ও বিতরণ মৌসুমে প্রদান।

পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা হবে।

৭।

প্রাকৃতিক ও অন্যান্য যে কোন কারনে দূর্যোগের পর দূর্গত এলাকায়সরবরাহ করার জন্য আপৎকালীন বীজ মজুদ রাখা এবং তা কৃষি মন্ত্রণালয়েরসিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিতরণ করা।

মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে বীজ বিতরণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়।

 

৮।

কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি বিজ্ঞানী কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের বীজ উৎপাদনও বিতরণ কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করা।

মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে বীজ উৎপাদন ও বিতরণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়।

 

৯।

দানা জাতীয় শস্য, পাট ও অন্যান্য বীজ উৎপাদনে সার্বিক সেবা প্রদান এবং শংকর বীজ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ।

দেশের চাহিদার আলোকে ফসলের মৌসুম ভিত্তিক উৎপাদন কার্যক্রম ও সেবা প্রদান করা হয়।

 

১০।

উদ্যান ফসলের বীজ/ চারা উৎপাদনের পাশাপাশি ব্যক্তি খাতে বাণিজ্যিক উৎপাদনের নিমিত্তে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সেবা প্রদান।

বাণিজ্যিক উৎপাদনের জন্য কারিগরি পরামর্শ ও সহায়তা সেবা ‘‘আগে আসলে আগে পাবেন’’ ভিত্তিতে সেবা প্রদান।

 

১১।

সবজি, চারা, কলম এবং উদ্যান ফসলের উন্নয়ন ও বাজার সম্প্রসারণ।

সারা বছরব্যাপী সবজি ও উদ্যান ফসলের উন্নয়ন ও বাজার সম্প্রসারণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।

 

১২।

আলুর ক্ষেত্রে টিস্যু কালচারের মাধ্যমে খামারে উন্নত ব্রীডার ও ভিত্তিশ্রেণীর বীজ উৎপাদন এবং তা থেকে পরবর্তীতে চুক্তিবদ্ধ চাষীর মাধ্যমেপ্রত্যায়িত / মানঘোষিত বীজ উৎপাদন, নিজস্ব হিমাগারের সংরক্ষণ ও কৃষকপর্যায়ে সরবরাহ প্রদানের মাধ্যমে সেবা প্রাদন।

চাহিদার ভিত্তিতে কৃষক পর্যায়ে টিস্যু কালচারের মাধ্যমে উৎপাদিতপ্লান্টলেট ও মিনি টিউবার ‘‘আগে আসলে আগে পাবেন’’ ভিত্তিতে সরবরাহ ওকারিগরি সেবা প্রদান করা হয়।

 

বিএডিসি (বীজ) এর সিটিজেন চার্টার

 

বীজ ডিলার নিয়োগের শর্তাবলীঃ

১।

বীজ ডিলার হতে ইচ্ছুক ব্যক্তি ২০০/-(টাকা দুইশত মাত্র) টাকার বিনিময়ে সংশি­ষ্ট অঞ্চলের উপ-পরিচালক (বীজ বিপণন) দপ্তর হতে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন এবং ক্যাশ রিসিপ্টসহ নির্ধারিত ফরমে আবেদন করবেন । আবেদনপত্র উপপরিচালক (বীজ বিপণন) বরাবর দাখিল করতে হবে ।

২।

(ক)

প্রাথমিকভাবে প্রতি অর্থ বছরের জন্য (জুলাই-জুন)  ১,০০০/-( এক হাজার টাকা) লাইসেন্স ফি’র বিনিময়ে ডিলার নিয়োগ করা হবে এবং প্রতি বৎসর জুলাই/আগষ্ট মাসে ৩০০/-(তিনশত)টাকার বিনিময়ে বীজ ডিলার লাইসেন্স নবায়ন করা হবে ।

 

(খ)

বীজ ডিলারগণকে নিয়ন্ত্রিত ফসলের বীজ (ধান, গম, আলু, পাট ও আখ) ছাড়াও ডাল ও তৈল, সব্জী  এবং ভূট্টা জাতীয় বীজসহ প্রতি বৎসর সর্বমোট ১,০০,০০০/-(টাকা একলক্ষ) টাকার বীজ উত্তোলন করতে হবে । শুধুমাত্র পাবনা,নোয়াখালী,বরিশাল,পটুয়াখালী অঞ্চলের বীজ ডিলারগণকে প্রতি বছর কমপক্ষে ৫০,০০০/-(টাকা পঞ্চাশ হাজার) টাকার  বীজ উত্তোলন করতে হবে । নির্ধারিত টাকার বীজ উত্তোলনে ব্যর্থ হলে তার লাইসেন্স বাতিল করা হবে ।

৩।

বিক্রয় কেন্দ্রে ডিলার তাঁর নিয়োগপত্র /লাইসেন্স প্রদর্শন করে রাখবেন ।

৪।

বিএডিসি কর্তৃক বিভিন্ন বীজের জন্য নির্ধারিত কমিশন অনুযায়ী ডিলার কমিশন পাবেন ।

৫।

ডিলার ব্যাংক ড্রাফ্ট/পে-অর্ডারের মাধ্যমে বীজের মূল্য পরিশোধ করে বিএডিসি’র আঞ্চলিক গুদাম/হিমাগার হতে বীজ ডেলীভারী নিতে পারবেন । যে ব্যাংকে আঞ্চলিক বীজ গুদামের ‘‘বীজ প্রাপ্তি হিসাব ’’ খোলা রয়েছে সেই ব্যাংকের ব্যাংক ড্রাফ্ট/পে-অর্ডারের মাধ্যমে বীজের মূল্য পরিশোধ করে বিএডিসি’র গুদাম হতে বীজ সরবরাহ নিতে হবে । উপপরিচালক(বীজ বিপণন) এর অনুমতিক্রমে অন্য স্থানীয় তফসিলি ব্যাংকের পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফ্ট গ্রহণযোগ্য হবে ।  পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফ্ট প্রাপ্তির ৩(তিন) দিনের মধ্যে মজুদ স্বাপেক্ষে বীজ সরবরাহ করা হবে ।

৬।

ডিলারের দোকানে সাইন বোর্ড থাকতে হবে এবং ক্যাশমেমো  ইস্যু করে বীজ বিক্রয় করতে হবে ।

৭।

বীজ ডিলারগণ বীজ বিক্রয় মৌসুমে তাদের দোকানে লালসালু, ব্যানার টাঙ্গিয়ে বীজ বিক্রয় করবেন । ব্যানারে বীজের প্রাপ্যতা, বিক্রয়মূল্য ইত্যাদি প্রদর্শিত থাকবে ।

৮।

বীজ ডিলারের বিক্রয় কেন্দ্রে বীজ সংরক্ষণ উপযোগী একটি ভাল গুদাম থাকতে হবে । ডিলার তার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিএডিসি’র  আঞ্চলিক বীজ বিক্রয় কেন্দ্র /হিমাগার হতে তার বিক্রয় কেন্দ্রে বীজ নিয়ে যাবেন ।

৯।

ডিলার কর্তৃক বীজ ডেলিভারী  নেয়ার সময় বস্তা ও বীজের গুণগতমান পরীক্ষা করে দেখবেন  এবং বিক্রয় কেন্দ্র হতে বীজ সরবরাহ নেয়ার সময় কোন ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে ডিলারকে সঙ্গে সঙ্গে সে বীজ পরিবর্তন করে দেয়া হবে ।

১০।

কোন অবস্থাতেই বিক্রিত বীজ ফেরৎ নেয়া হবে না ।

১১।

(ক)

ডিলার তার বিক্রয় কেন্দ্রের বীজ যথাযথ ভাবে মজুদ ও পরিচর্যা করবেন যাতে করে বীজের গুণগতমান অক্ষুন্ন থাকে এবং বীজের মান সংরক্ষণের জন্য তিনি দায়ী থাকবেন ।  পূর্ববর্তী মৌসুমের অবিক্রিত নিম্নমানের বীজ বিক্রয় করা যাবে না এবং মৌসুমের পরেও কোন বীজ বিক্রয় যোগ্য হবে না ।

 

(খ)

বীজ বিক্রয় কেন্দ্র হতে বীজ সরবরাহ নেয়ার পর বীজের গুণগতমান অক্ষুন্ন রাখার দায়িত্ব ডিলারের উপর থাকবে । দোকানে বীজ মজুদকালীন সময়ে অবহেলার জন্য বীজের গুণগতমানের কোনরূপ ক্ষতি হলে সেজন্য বিএডিসি কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না ।

১২।

বিএডিসি কর্তৃক সরবরাহকৃত অরিজিনাল প্যাকেট/বস্তায় ডিলার বীজ বিক্রয় করবেন এবং কোন অবস্থায় বীজের প্যাকিং,মার্কিং নষ্ট বা পরিবর্তন অথবা পূর্বে ব্যবহৃত প্যাকেট/বস্তায় বীজ বিক্রয় করতে পারবেন না ।

১৩।

ডিলার দ্রুততার সঙ্গে বিএডিসি হতে সরবরাহকৃত বীজ বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন ।

১৪।

বিএডিসি, বীজ অনুমোদন সংস্থার কর্মকর্তাগণ যেকোন সময় ডিলারের গুদাম এবং বিক্রয়  কেন্দ্রে  বিএডিসি কর্তৃক সরবরাহকৃত বীজ পরিদর্শন করতে পারবেন ।

১৫।

ডিলার বিএডিসি’র বীজ কর্মকর্তাকে গুদামজাত বীজ এবং  ডিলার নিয়োগপত্র /লাইসেন্স দেখাতে বাধ্য থাকবেন ।

১৬।

বিএডিসি, সরবরাহ কেন্দ্র হতে নির্ধারিত গুণগতমান সম্পন্ন বীজ ডিলারের নিকট সরবরাহের জন্য দায়ী থাকবেন ।

১৭।

বিএডিসি হতে সরবরাহকৃত বীজের গুণগতমান সম্পর্কে চাষীদের জানানোর জন্য ডিলার প্রয়োজনীয়  প্রচারণার ব্যবস্থাগ্রহণ করবেন ।

১৮।

বিএডিসি’র বীজ সম্পর্কে বিভিন্ন সময়ে পর্যাপ্ত প্রচারনার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন ।  বিএডিসি কর্তৃক সরবরাহকৃত বীজ সংক্রান্ত পোষ্টার,পুস্তিকা ইত্যাদি বিতরণ এবং প্রদর্শনী প্লট স্থাপন ইত্যাদি তৈরী/ আয়োজন করার জন্য ডিলার সকল প্রকার সহায়তা করার জন্য দায়ী থাকবেন ।

১৯।

ডিলার বীজের কালোবাজারী ও ভেজাল মিশ্রণ সংক্রান্ত কোন রকম কাজে সম্পৃক্ত থাকতে পারবেন না । কোন ডিলার  এতদসংক্রান্ত কাজে জড়িত থাকলে তার লাইসেন্স বাতিলসহ প্রচলিত আইন ও বীজনীতি (সীড এ্যাক্ট) অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে ।

২০।

ডিলার তার এলাকায় বীজ বিক্রির জন্য বীজের অগ্রিম চাহিদা এক বৎসর পূর্বে উপপরিচালক (বীজ বিপণন)কে অবহিত করবেন। অন্যথায় মৌসুমে পরিমাণমত বীজ সরবরাহ করতে না পারলে বিএডিসি কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।ডিলার নিয়োগের জন্য বর্ণিত শর্তাবলী ডিলার লঙ্ঘন করলে লাইসেন্স প্রদানকারী কর্মকর্তা কর্তৃক ডিলারের নিয়োগপত্র বাতিল করার ক্ষমতা থাকবে । এ সম্পর্কে বিএডিসি একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকারী থাকবে । ডিলারের নিয়োগপত্র বাতিল করার ফলে ডিলার যদি কোন রকম আর্থিক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয় তার জন্য বিএডিসি দায়ী থাকবে না ।

২১।

বীজ ডিলারের দোকানে অন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের খারাপ বীজ এবং সরকারের অনুমোদন বিহীন কোন সংস্থা/প্রতিষ্ঠানের বীজ মজুদ / বিক্রয় করা যাবে না । অনুমোদিত অন্য কোন সংস্থা/ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্যাকিংকৃত বীজ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের প্যাকিং অথোরিটি,ব্যবসার বৈধতা সম্পর্কিত কাগজপত্র প্রত্যায়নপত্র ইত্যাদি সম্পর্কে পরিদর্শনকারী কর্মকর্তাকে নিশ্চিত করার জন্য ডিলারগণ বাধ্য থাকবেন ।

২২।

ডিলার কর্তৃক  কর্মকান্ডে বিএডিসি’র বীজের বাজার সৃষ্টি এবং বিপণন  ও সংরক্ষণ এবং বিএডিসি’র সুনাম ক্ষুন্ন হওয়ার আশংকা দেখা দিলে এবং উপরে বর্ণিত যেকোন শর্তাবলী লঙ্ঘন করলে ডিলারের লাইসেন্স বাতিল করা হবে ।

২৩।

বিএডিসি কর্তৃক বীজের মূল্য হ্রাস করা হলে মূল্য হ্রাসের পূর্ববর্তী তারিখে যেসব বীজ ডিলার বীজ ক্রয় করবেন তাদেরকে কোন প্রকার আর্থিক ক্ষয়ক্ষতিজনিত অর্থ ফেরৎ প্রদানে বিএডিসি বাধ্য থাকবে না ।

 

বীজ ডিলারশীপ নিয়োগ নীতিমালাঃ

১।

বীজ ডিলারশীপের জন্য আবেদনকারী কোন ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে অবশ্যই ব্যবসায়ী ও বাংলাদেশী নাগরিক হতে হবে এবং কৃষি উপকরণ বিশেষ করে বীজ ব্যবসায় অভিজ্ঞতা থাকতে হবে ।

২।

(ক)

যে কোন ব্যক্তি অথবা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে ডিলারশীপ প্রদান করা যাবে ।

 

(খ)

অংশীদারিত্বভিত্তিক কোন প্রতিষ্ঠান/ব্যবসায়িক সংগঠন যদি ডিলারশীপের জন্য আবেদন করে তবে ঐ সংগঠনের/প্রতিষ্ঠানের পরিচালক কমিটি বা ব্যবস্থাপনা কমিটির পক্ষ থেকে যার নামে ডিলারশীপ দেয়া হবে তাকে ব্যবসা পরিচালনা সর্বময় ক্ষমতা (Power of Attorney) দিতে হবে ।

৩।

(ক)

কোন সরকারি/আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান/বেসরকারী সংস্থার/স্বায়ত্বশাসিত সংস্থার প্রকল্পকে ডিলারশীপ প্রদান করা হবে না ।

 

(খ)

কৃষি উন্নয়নে নিয়োজিত কোন  এনজিওর ট্রেড লাইসেন্স থাকলে বীজ ডিলারশীপের জন্য বিবেচনা করা যেতে পাবে ।

৪।

ডিলারশীপ লাইসেন্সের জন্য নিম্নলিখিত  প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে হবে ।      

 

(ক)

পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি-৩ কপি ।

 

(খ)

ট্রেড লাইসেন্স এর সত্যায়িত ফটোকপি ।

 

(গ)

আর্থিক স্বচ্ছলতার ব্যাংক সলভেন্সী সার্টিফিকেট ।

 

(ঘ)

বণিক সমিতির সনদপত্র (যদি থাকে) ।

 

(ঙ)

দোকানের/ গুদামের মালিকানা অথবা ভাড়ার স্বপক্ষে কাগজপত্রাদি ।

৫।

(ক)

প্রাথমিকভাবে প্রতি অর্থ বছরের জন্য (জুলাই-জুন)  ১,০০০/-( এক হাজার টাকা) লাইসেন্স ফি’র বিনিময়ে ডিলার নিয়োগ করা হবে এবং প্রতি বৎসর জুলাই/আগষ্ট মাসে ৩০০/-(তিনশত)টাকার বিনিময়ে বীজ ডিলার লাইসেন্স নবায়ন করা হবে ।

 

(খ)

বীজ ডিলারগণকে নিয়ন্ত্রিত ফসলের বীজ (ধান, গম, আলু, পাট ও আখ) ছাড়াও ডাল ও তৈল, সব্জী এবং ভূট্টা জাতীয় বীজসহ প্রতি বৎসর সর্বমোট ১,০০,০০০/-(টাকা একলক্ষ) টাকার বীজ উত্তোলন করতে হবে । শুধুমাত্র পাবনা, নোয়াখালী,বরিশাল,পটুয়াখালী অঞ্চলের বীজ ডিলারগণকে প্রতি বছর কমপক্ষে ৫০,০০০/-(টাকা পঞ্চাশ হাজার) টাকার  বীজ উত্তোলন করতে হবে । নির্ধারিত টাকার বীজ উত্তোলনে ব্যর্থ হলে তার লাইসেন্স বাতিল করা হবে । 

 

(গ)

লাইসেন্স এর জন্য  প্রাপ্ত  আবেদনপত্র ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রাপ্তি স্বাপেক্ষে ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে ।

 

ধান, গম, আলু ও পাট বীজের বীজ ডিলার কমিশন সংক্রান্ত সেবাঃ

ডিলার কমিশন হার নিম্নরূপঃ

বীজের নাম

দুরত্ব

উত্তোলনের পরিমাণ

বর্তমান কমিশন হার

ধান

ক) ০-১০ কিঃ মিঃ পর্যন্ত

০.৫-২.০ টন পর্যন্ত

২.০ টনের উর্দ্ধে

৬% (ছয়)

১০% (দশ)

খ) ১০ কিঃ মিঃ এর উর্দ্ধে

০.৫-২.০ টন পর্যন্ত

২.০ টনের উর্দ্ধে

৯% (নয়)

১৩% (তের)

গম

ক) ০-১০ কিঃ মিঃ পর্যন্ত

০.৫-২.০ টন পর্যন্ত

২.০ টনের উর্দ্ধে

৬% (ছয়)

১০% (দশ)

খ) ১০ কিঃ মিঃ এর উর্দ্ধে

০.৫-২.০ টন পর্যন্ত

২.০ টনের উর্দ্ধে

৯% (নয়)

১৩% (তের)

আলু

ক)  হিমাগার হতে

৫ টনের উর্দ্ধে

৯% (নয়)

খ) আঞ্চলিক গুদাম হতে

৫ টনের উর্দ্ধে

৭% (নয়)

পাট

ক) দেশি

ন্যূনতম ১ টন ও উর্দ্ধে

৭% (সাত)

খ) তোষা

ন্যূনতম ১ টন ও উর্দ্ধে

১০% (দশ)

 

(ক)

ডিলারের মাধ্যমে ভিত্তি বীজ বিক্রয় করলে একই নিয়ম বলবৎ থাকবে ।

(খ)

উপরে উল্লেখিত ডিলার কমিশনের হার পরবর্তী সিদ্ধান্তের পূর্ব পর্যন্ত বলবৎ থাকবে ।

(গ)

অঞ্চলে (বৃহত্তর জেলা সমূহে) অবস্থিত ‘‘০’’ শূন্য কিঃ মিঃ পোস্ট হতে দূরত্ব বিবেচনা ।